ইনাবা অর্থ আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তন করা। ইবনুল কাইয়ুম রহিঃ বলেন- “প্রতি মুহূর্তে, সর্বাবস্থায় আল্লাহর দিকে ফিরে যাওয়ার নাম ইনাবা।” শয়তান প্রতি মুহূর্তে, সর্বাবস্থায় মানুষকে আল্লাহ থেকে বিচ্যুত করে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যেতে চায়। সুতরাং আমাদেরকে অবশ্যই ইনাবা তথা আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে। মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনে অনেক জায়গায় ইনাবা শব্দ ব্যবহার করেছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে আশা জাগানিয়া আয়াত হচ্ছে- সুরা যুমার “39:54
وَ اَنِیۡبُوۡۤا اِلٰی رَبِّکُمۡ وَ اَسۡلِمُوۡا لَہٗ مِنۡ قَبۡلِ اَنۡ یَّاۡتِیَکُمُ الۡعَذَابُ ثُمَّ لَا تُنۡصَرُوۡنَ ﴿۵۴﴾
“আর তোমরা তোমাদের রবের অভিমুখী হও এবং তোমাদের উপর আযাব আসার পূর্বেই তার কাছে আত্মসমর্পণ কর। অতঃপর (আযাব আসার) তোমাদেরকে সাহায্য করা হবে না।”
মহান আল্লাহর দিকে তথা পবিত্র কুরআন-সহীহ সুন্নাহর দিকে প্রত্যাবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে “ইনাবা দাওয়াহ পরিবার”এর যাত্রা শুরু হয়েছে। “ইনাবা দাওয়াহ পরিবার” শিক্ষা, দাওয়াহ, গবেষণা, এবং মানবসেবামূলক অলাভজনক-স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান। শির্ক- বিদ’আতের বিপরীতে ইসলামের বিশুদ্ধ দাওয়াত, দারিদ্র্য-পীড়িত মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজে ইসলামের সুমহান আদর্শ-মূল্যবোধ জাগ্রত করাই এর লক্ষ্য-উদ্দেশ্য।
একটি দ্বীনী শিক্ষা কার্যক্রম
দ্বীনী খেদমতের বৃহৎ উদ্যোগ “ইনাবা মসজিদ কমপ্লেক্স” প্রতিষ্ঠা করা। এর মাধ্যমে শিক্ষা, দাওয়াহ ও মানবিক উন্নয়নে পিছিয়ে পড়া সুন্দরগঞ্জ-গাইবান্ধায় মসজিদ এবং মানসম্মত-যুগোপযোগী ইসলামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠাসহ মানবসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হবে ইনশাআল্লাহ। “ইনাবা মসজিদ কমপ্লেক্স” প্রতিষ্ঠা করতে দান করার বিনীত অনুরোধ রইলো।